বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেছেন, দেশের সকল দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। নিত্যপণ্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। দেশে গণতন্ত্র নাই। গুম খুন হত্যা চলছেই। এ গুলোর সঠিক কোনো তদন্ত হয় না। এর কারণ হলো দেশে জনগণের সরকার নাই। জনগণের সরকার থাকলে এগুলো হতো না। পঁচাত্তর সাল পর্যন্ত দেশে গুম খুন ধর্ষণ হত্যা যেভাবে হয়েছিল বর্তমানেও সেই চিত্র ফুটে উঠেছে। এ নিয়ে এই সরকারের কোনো ভ্রুক্ষেপ নাই। এর থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ঐক্যবদ্ধ হয়ে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির মাধ্যমে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে জিয়া শিশু-কিশোর মেলার উদ্যোগে মরহুম সাদেক হোসেন খোকার স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গীর শিকদার। এসময় বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, স্বনির্ভর সম্পাদক শিরিন সুলতানা, কৃষক দলের সদস্য লায়ন মিয়া মো. আনোয়ার প্রমুখ।
বিএনপি নেত্রী সেলিমা রহমান আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কথা বলার ভাষায় প্রমাণ করে, খালেদা জিয়ার মেডিকেলের সত্য রিপোর্টটা যেন আদালতে পেশ না করে। এক ধরনের থ্রেড তিনি দিয়েছেন ডাক্তারদের এবং বিচারপতিদের। কোর্ট যখন বেগম খালেদা জিয়ার মেডিকেল রিপোর্ট চেয়েছেন, তার প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী যে ভাষায় কথা বলেছেন তাতে জনগণ হতভম্ব। দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এভাবে তার কথা বলা শোভা পায় না।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জানে তাদের সময় শেষ হয়ে এসেছে। তাদের পায়ের তলায় মাটি নেই। এ কারণে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সিন্ডিকেট করে জনগণের বুকে পা রেখে দুই হাতে দেশটা লুটপাট করে খাচ্ছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, এই সরকার সব দিকেই ব্যর্থ। রোহিঙ্গারা এসে অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে ভারত অবৈধভাবে বাংলাদেশে জনগণকে পুশ করছে। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরের জলসীমা দখল হয়ে যাচ্ছে। তা নিয়ে এই সরকারের কোন মাথা ব্যাথা নেই। এর কারণ হলো তারা শুধু এদেশের ক্ষমতাটা কেই দখল করে রাখতে চায়। দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করতে চায় না।
বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন