শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৩৮, মঙ্গলবার, ০১ আগস্ট, ২০২৩

বঙ্গবন্ধু হত্যা এবং দেশের উল্টো পথে যাত্রা

মো. জাকির হোসেন
অনলাইন ভার্সন
বঙ্গবন্ধু হত্যা এবং দেশের উল্টো পথে যাত্রা

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী বিশ্বের নানা প্রান্তে আগস্ট মাস যেভাবে আসে, বাংলাদেশ ভূখণ্ডে আসে তা থেকে ভিন্নতা নিয়ে। শোকের মাতম নিয়ে আসে আগস্ট। এই মাসের ১৫ তারিখে কিছু বিশ্বাসঘাতক ইতিহাসের মহান কিংবদন্তি, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি, বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নোবেলজয়ী পশ্চিম জার্মানির নেতা উইলি ব্রানডিট যথার্থই বলেছিলেন, ‘মুজিবকে হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না।

যে বাঙালি শেখ মুজিবকে হত্যা করতে পারে, তারা যেকোনো জঘন্য কাজ করতে পারে।’ বাঙালির প্রতি অতল ভালোবাসায় বঙ্গবন্ধু নিজের ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া, সুখ-আরাম-আয়েশকে বিসর্জন দিয়েছেন। পরিবারের প্রতি দায়িত্বকে গৌণ করেছেন। বাংলার মানুষের মুক্তির জন্য বছরের পর বছর জেল খেটেছেন।

ফাঁসির রজ্জু গলায় পরতে নিজের জীবনকে তুচ্ছ করেছেন। কোনো বাঙালি তাঁকে হত্যা করে আত্মঘাতী হবে, তা বঙ্গবন্ধু কল্পনায়ও ঠাঁই দেননি।
কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অর্জিত স্বাধীনতাকে খুনিচক্র ও তাদের দোসররা মেনে নিতে পারেনি। খুনি ও তাদের সহযোগীরা স্বাধীনতার পর থেকেই বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে।

স্বাধীনতাকে অর্থবহ করার জন্য বঙ্গবন্ধুর গৃহীত অর্থনৈতিক মুক্তি ও শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় একটি দল। তারাও স্বাধীনতাবিরোধীদের সঙ্গে হাত মেলায়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের কারিশমায় ঈর্ষান্বিত দেশি-বিদেশি দোসররাও জোটবদ্ধ হয়েছিল। আর এসবেরই পরিণতি বিশ্ব ইতিহাসে বিরল ১৫ আগস্টের লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড।
বঙ্গবন্ধু হত্যা এবং দেশের উল্টো পথে যাত্রাস্মরণাতীত কাল থেকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বিশ্বে অনেকবার হয়েছে।

বিশ্বের বরেণ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। কিন্তু ইতিহাসে এমন আরেকটি উদাহরণ খুঁজে পাওয়া যায় না, যেখানে একটি জাতির স্থপতিকে হত্যার পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী, তিন পুত্র, দুই পুত্রবধূ, ভ্রাতাসহ বাসায় উপস্থিত পরিবারের সব সদস্যকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক কারণে একটি জাতির পিতার শিশুপুত্রকেও হত্যা করা হয়েছে—এমন একটি ঘটনাও ইতিহাসে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। পিতার দুই কন্যা সেদিন বিদেশে অবস্থান করায় বেঁচে গিয়েছেন। ওই দিন বাসায় থাকলে কি তাঁরাও হত্যার শিকার হতেন না? মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করায় খুনি ও তাদের দোসররা বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের সুযোগ খুঁজছিল। ১৫ আগস্টের নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তাদের সেই প্রতিশোধের প্রতিফলন ঘটে। বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের স্বপ্ন ছিল একটি শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর মুক্তির এই দর্শনকে মুছে ফেলতে চেয়েছে খুনি ও তাদের দেশি-বিদেশি দোসররা। তাই খুনি ও তাদের দোসররা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সম্ভাব্য ধারক-বাহক তাঁর রক্তের উত্তরসূরি সবাইকেসহ শিশু রাসেলকে পর্যন্ত হত্যা করেছে।
বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ একে অপরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। একটিতে আঘাত করলে অপরটিতে তার মারাত্মক অভিঘাত সৃষ্টি হবে, এটিই স্বাভাবিক। জাতির জনককে নির্মমভাবে হত্যার পর দ্য টাইমস অব লন্ডনের ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট সংখ্যায় একটি তাত্পর্যপূর্ণ মন্তব্যসহ উল্লেখ করা হয়, ‘শেখ মুজিবকে সব সময় স্মরণ করা হবে। কারণ তাঁকে ছাড়া বাংলাদেশের বাস্তব কোনো অস্তিত্ব নেই।’ আজ থেকে ৪৮ বছর আগে কী দারুণ সত্য অনুধাবন ও উচ্চারণ করেছিল দ্য টাইমস অব লন্ডন! খুনিরা বাংলাদেশকে নেতৃত্বহীন করতে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার ধারাবাহিকতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতাকেও জেলের অভ্যন্তরে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করে। পিতার খুনিদের বিচার করা যাবে না মর্মে দায়মুক্তি আইন প্রণয়ন করে বিচারহীনতার বর্বর সংস্কৃতি চালু করেছে। বাংলাদেশ সৃষ্টিতে নেতৃত্বদানকারী রাজনীতির উত্কৃষ্ট অংশটিকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে অমানিশার শুরু। এরই বেদনাদায়ক চিত্র আজকের রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে সতত দৃশ্যমান। আগুনে পুড়িয়ে শত শত মানুষকে হত্যা করার রাজনীতির প্রচলন হয়েছে। অসাম্প্রদায়িকতার মন্ত্র নিয়ে সৃষ্ট বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা বীভৎসরূপে ফিরে এসেছে। ভোটের আগে ও পরে নজিরবিহীন সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগকে নির্মূল করা রাজনৈতিক দলের নীতি ও আদর্শ হিসেবে গৃহীত হয়েছে। পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা আইএসআই ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সক্রিয় নিয়ামক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যা ও একই ধারাবাহিকতায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা না হলে বিএনপি নামের সংগঠনের জন্ম হতো না। বিএনপির জন্ম না হলে স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত রাজনীতিতে পুনর্বাসিত ও রাষ্ট্রক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে পারত না। বঙ্গবন্ধুর খুনিরা ফ্রিডম পার্টি গঠন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সংসদকে কলঙ্কিত করতে পারত না। পশ্চিমা কয়েকটি রাষ্ট্র যেভাবে বাংলাদেশকে তাদের অঙ্গরাষ্ট্র পরিগণিত করে সার্বভৌমত্বে নগ্ন হস্তক্ষেপ করছে, তা করতে পারত না। সর্বোপরি রাজনীতির এমন দুর্বৃত্তায়ন আর সর্বনাশ ঘটত না। বয়সীদের কাছে শুনেছি, হক সাহেব (শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক), সোহরাওয়ার্দী সাহেব, ভাসানী সাহেব, শেখ সাহেব (বঙ্গবন্ধু), সৈয়দ নজরুল ইসলাম সাহেব, তাজউদ্দীন সাহেব, মনসুর আলী সাহেব, কামারুজ্জামান সাহেব যখন রাজনীতি করতেন, সেটি ছিল খাঁটি রাজনীতি। দেশ ও জনগণের কল্যাণ ছাড়া অন্য কোনো ভাবনা তাঁদের মধ্যে ছিল না। যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত ছিলেন তাঁরা। ব্যক্তি-পরিবারের লাভ-লোকসান তাঁদের বিবেচ্য ছিল না। রাজনীতি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে গাড়ি-বাড়ি ও আলিশান জীবনযাপনের স্বপ্ন দেখেননি তাঁরা। মওলানা ভাসানী টাঙ্গাইলের সন্তোষে একটি কুঁড়েঘরে বাস করতেন। ধারকর্জ, বন্ধুবান্ধবের সহযোগিতা ও হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন থেকে ঋণ নিয়ে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়িটি নির্মাণ করা হয়। ঢাকায় বঙ্গবন্ধু পরিবারের মাথা গোঁজার কোনো ঠাঁই ছিল না। পাকিস্তানি শাসকের ভয়ে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে অনেকেই বাড়ি ভাড়া দিতে রাজি হতো না বিধায় বঙ্গমাতা পিডাব্লিউডি থেকে বরাদ্দ পাওয়া জায়গায় বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। জীবদ্দশায় বঙ্গবন্ধু হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের ঋণ শোধ করে যেতে পারেননি। ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর ঋণের অবশিষ্টাংশ শোধ করেন।

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী তাঁর ওকালতির টাকা দিয়ে দলে অর্থায়ন করতেন। আওয়ামী লীগের অনেক রাজনীতিবিদ সততার পরাকাষ্ঠা হয়ে একচালা টিনের ঘরে আমৃত্যু বসবাস করেছেন। গাড়ি নয়, রিকশায় চড়েছেন। ব্যক্তিগত গাড়ি না থাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন। কারণ সংসদ ভবনে রিকশা প্রবেশ নিষিদ্ধ। এখন সব কিছুই কল্পকাহিনি মনে হবে। এ কথা অস্বীকার করার জো নেই, আমাদের রাজনীতি আকৃতি-প্রকৃতি আর রূপ-রস-রুচির বিবেচনায় এর আসল অবয়ব হারিয়ে বীভৎস আকার ধারণ করেছে। রাতের অন্ধকার আর প্রকাশ্য দিবালোকে রাজনীতির আদর্শ-উদ্দেশ্যের ক্রমাগত বস্ত্রহরণে এটি অনাকাঙ্ক্ষিত হয়ে পড়ছে। অনেকের মতে, রাজনীতির নামে যা চলছে, তাকে রাজনীতি বললে বোধ করি রাজনীতি শব্দটিরও অসম্মান হয়।

একসময় রাজনীতিতে যোগদান অত্যন্ত সম্মানজনক বিষয় ছিল, রাজনীতিবিদরা পূজনীয় ছিলেন। তখন রাজনীতির মূলমন্ত্র ছিল অতল দেশপ্রেম আর জনকল্যাণ। রাজনীতির দীক্ষা ছিল ত্যাগ আর ব্যক্তিগত আশা-আকাঙ্ক্ষার বলিদান। এখন রাজনীতি নিয়ে মানুষ যারপরনাই বিরক্ত। ক্ষুব্ধ-ক্রুদ্ধ মানুষ রাজনীতি ও রাজনীতিকদের কষে গালি দিতে দ্বিধা বোধ করে না।

অতল দেশপ্রেম আর ত্যাগ-তিতিক্ষার পূজনীয় রাজনীতি কেন, কেমন করে নষ্ট আর অশ্লীল হলো? ১৯৭৫ সালে রাজনৈতিক নেতৃত্বের উত্তম অংশটিকে নির্মূল করে অপরাজনীতির সব ক্ষেত্র প্রস্তুত করা হয়। বঙ্গবন্ধু ও চার জাতীয় নেতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলধারা থেকে সাইডলাইনে চলে যেতে বাধ্য করা হয়। জিয়া রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পর ভয়ংকর বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সুবিধাবাদী নেতাদের নিয়ে দল গঠন করেন। রাজনীতিবিদদের ক্রয়-বিক্রয় আর আদর্শের বস্ত্রহরণের রাজনীতির নতুন যুগের সূচনা হয়। রাজনীতি কলুষিত হয়ে পড়ে। রাজনীতিবিদদের লোভ-লালসার হাত ধরে রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়নের প্রচলন হয়। রাজনীতিতে টাকা এবং টাকাওয়ালাদের প্রভাব বাড়তে শুরু করে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান রাজনীতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছিলেন ‘মানি ইজ নো প্রবলেম’ এবং ‘আই উইল মেক পলিটিকস ডিফিকাল্ট ফর দ্য পলিটিশিয়ান্স’। সেই থেকে প্রকৃত রাজনীতিবিদদের জন্য রাজনীতি সত্যি কঠিন হয়ে পড়ল। ত্যাগী রাজনীতিকের সংখ্যা ক্রমাগতই কমতে থাকল। ‘মানি ইজ নো প্রবলেম’ যদি রাজনীতির নিয়ামক হয়, তখন একটি দেশের দুর্নীতির অভয়াশ্রম হয়ে উঠতে আর কোনো কিছুর দরকার পড়ে না।

জিয়ার হাত ধরে দুর্নীতিবাজ নব্য ধনীদের বড় অংশের উত্থান হয় এবং রাজনীতিতে তাদের পুনর্বাসন হয়। ব্যবসায়ী, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, সাংবাদিক, শিক্ষক, আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত আমলা—বলতে গেলে সব পেশাজীবীই রাজনীতিতে ঢুকে পড়তে শুরু করেন। অন্য পেশা থেকে যাঁরা এসেছেন, তাঁদের বেশির ভাগই এসেছেন মূলত ‘রাজনীতিতে অর্থ উপার্জন কোনো সমস্যাই নয়’ এই সত্যকে মন্ত্রজ্ঞান করে। তাঁদের প্রায় সবারই ‘সিদ্ধিলাভ’ হয়েছে। ‘বাইরের লোক’ রাজনীতিতে এসে শুধু রাজনীতিকেই কলুষিত করেননি, যে পেশা থেকে এসেছেন, সেই পেশাও তাঁদের মাধ্যমে কলুষিত, দুর্নীতিগ্রস্ত হয়েছে। একজন ব্যবসায়ী সরকারি দলে যোগ দিয়ে টাকার পাহাড় গড়ে ব্যবসায়ী সমাজে ‘অনুকরণীয়’ দৃষ্টান্ত হয়ে যাচ্ছেন। তাঁকে অনুসরণ করে অন্য ব্যবসায়ীরাও টাকার পাহাড় গড়ার সহজ ফর্মুলা রপ্ত করছেন। সাবেক সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা, সাংবাদিক, আইনজীবী, শিক্ষকদের হাত ধরেও রাজনীতির অঙ্গনসহ পুরো দেশটি এভাবেই দুর্নীতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতির প্রচলন হয়েছে। এসব লুটেরা, দুর্নীতিপরায়ণ রাজনীতিবিদের অনেকেই টাকা দিয়ে পদ-পদবি কিনে নিচ্ছেন। রাজনীতিতে হাইব্রিডদের এখন রমরমা বাজার।

রাজনীতির এমন দুর্বৃত্তায়ন চলতে পারে না। মুক্তিযুদ্ধের মূলনীতিকে সমুন্নত করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি, দর্শন ও চেতনাকে লালন করতে হবে। এই দর্শন ও চেতনা হলো সাম্য, মানবিক মর্যাদা আর ন্যায়বিচারের মাধ্যমে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা। রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নে এবং পশ্চিমাদের, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের অনানুষ্ঠানিক আগ্রাসনে দেশ বিপদাপন্ন। রাজনীতিকে রাহুমুক্ত ও আগ্রাসন প্রতিরোধ করতে হলে সব অভিমান, ক্ষোভ ভুলে মুক্তিযুদ্ধের সব পক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে। সৃষ্টি করতে হবে একাত্তরের মতো ইস্পাত কঠিন ঐক্য ও সংহতি। তা না হলে রাষ্ট্র ও রাজনীতি গভীর থেকে গভীরতর অমানিশায় ডুবতে থাকবে। অতল সেই অন্ধকার থেকে বাংলা ও বাঙালি জাতিকে মুক্ত করা কঠিন হয়ে পড়বে।

 
লেখক : অধ্যাপক, আইন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
গ্যাসসংকট : সাগরে অনুসন্ধান জোরদার করতে হবে
গ্যাসসংকট : সাগরে অনুসন্ধান জোরদার করতে হবে
ড. ইউনূসকে ডোবাচ্ছেন না ভাসাচ্ছেন
ড. ইউনূসকে ডোবাচ্ছেন না ভাসাচ্ছেন
ব্যক্তির সঙ্গে সমষ্টির অসম বিভাজন
ব্যক্তির সঙ্গে সমষ্টির অসম বিভাজন
হঠাৎ করেই কি একটি এয়ারলাইন্স বন্ধ হয়ে যায়?
হঠাৎ করেই কি একটি এয়ারলাইন্স বন্ধ হয়ে যায়?
এলডিসি উত্তরণ ও পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এখন আমাদের বড় লক্ষ্য
এলডিসি উত্তরণ ও পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এখন আমাদের বড় লক্ষ্য
বেসরকারি বিনিয়োগই ‘ফ্যাক্টর’
বেসরকারি বিনিয়োগই ‘ফ্যাক্টর’
পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে জাতীয় সংকটে: জনগণের পক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর অবস্থান ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা
পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে জাতীয় সংকটে: জনগণের পক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর অবস্থান ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা
বাংলা নববর্ষ: বাঙালি জাতির সংস্কৃতির ঐক্য
বাংলা নববর্ষ: বাঙালি জাতির সংস্কৃতির ঐক্য
ভবিষ্যতের সংঘাত ঠেকাতে এখনই ব্যবস্থা নিন
ভবিষ্যতের সংঘাত ঠেকাতে এখনই ব্যবস্থা নিন
চাপে চ্যাপ্টা অর্থনীতির রিয়াল হিরো ব্যবসায়ীরা
চাপে চ্যাপ্টা অর্থনীতির রিয়াল হিরো ব্যবসায়ীরা
উন্নতির নানা রূপ ও ভিতরের কারণ
উন্নতির নানা রূপ ও ভিতরের কারণ
স্থায়ীভাবে শুল্ক প্রত্যাহারে জোরদার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে
স্থায়ীভাবে শুল্ক প্রত্যাহারে জোরদার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে
সর্বশেষ খবর
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে যেমন হতে পারে বাংলাদেশের একাদশ
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে যেমন হতে পারে বাংলাদেশের একাদশ

এই মাত্র | মাঠে ময়দানে

হুতির হামলায় সবচেয়ে অত্যাধুনিক ২০টি ড্রোন হারিয়ে বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র
হুতির হামলায় সবচেয়ে অত্যাধুনিক ২০টি ড্রোন হারিয়ে বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রীকে পশ্চিম তীর সফরের অনুমতি দিল না ইসরায়েল
ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রীকে পশ্চিম তীর সফরের অনুমতি দিল না ইসরায়েল

১৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ফের হাজারো মানুষের বিক্ষোভ
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ফের হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

১৬ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের অনীহা সত্ত্বেও ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালাতে চায় ইসরায়েল
ট্রাম্পের অনীহা সত্ত্বেও ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালাতে চায় ইসরায়েল

২২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৪৮ ঘন্টায় ৯০ জনেরও বেশি নিহত
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৪৮ ঘন্টায় ৯০ জনেরও বেশি নিহত

৫২ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা রাশিয়ার
একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা রাশিয়ার

৫৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্যাসসংকট : সাগরে অনুসন্ধান জোরদার করতে হবে
গ্যাসসংকট : সাগরে অনুসন্ধান জোরদার করতে হবে

১ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২০ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২০ এপ্রিল)

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাজনৈতিক বিষয়ে নববী প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতা
রাজনৈতিক বিষয়ে নববী প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতা

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

বেপরোয়া ড্রাইভিংয়ে জীবনের বিপর্যয়
বেপরোয়া ড্রাইভিংয়ে জীবনের বিপর্যয়

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

ছেলেদের সামনের চুল বড় রাখা
ছেলেদের সামনের চুল বড় রাখা

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হাজার বছরের যে প্রাচীন নগরী জয় করেন খালিদ (রা.)
হাজার বছরের যে প্রাচীন নগরী জয় করেন খালিদ (রা.)

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

কাঁচা আমের স্বাস্থ্য উপকারিতা
কাঁচা আমের স্বাস্থ্য উপকারিতা

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ ঢেউয়ের তাণ্ডব, প্রাণ গেল ৫ জনের
অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ ঢেউয়ের তাণ্ডব, প্রাণ গেল ৫ জনের

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘তথ্যসন্ত্রাস করে থামানো যাবে না’ প্রথম আলোকে হাসনাত আবদুল্লাহর চ্যালেঞ্জ
‘তথ্যসন্ত্রাস করে থামানো যাবে না’ প্রথম আলোকে হাসনাত আবদুল্লাহর চ্যালেঞ্জ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিদেশে শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিলের ষড়যন্ত্রে যুবক গ্রেফতার
বিদেশে শিক্ষার্থীদের ভর্তি বাতিলের ষড়যন্ত্রে যুবক গ্রেফতার

৬ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

তাহসানকে সঙ্গে নিয়ে ভিভো ভি৫০ লাইট উন্মোচন
তাহসানকে সঙ্গে নিয়ে ভিভো ভি৫০ লাইট উন্মোচন

৬ ঘণ্টা আগে | কর্পোরেট কর্নার

আবুধাবিতে বাংলা বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা
আবুধাবিতে বাংলা বর্ষবরণ ও বৈশাখী মেলা

৭ ঘণ্টা আগে | পরবাস

গোবর দিয়ে ক্লাস ঠান্ডা; প্রতিবাদে অধ্যক্ষের ঘরেও গোবর
গোবর দিয়ে ক্লাস ঠান্ডা; প্রতিবাদে অধ্যক্ষের ঘরেও গোবর

৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ড. ইউনূসকে ডোবাচ্ছেন না ভাসাচ্ছেন
ড. ইউনূসকে ডোবাচ্ছেন না ভাসাচ্ছেন

৭ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

যেমন গয়না পছন্দ করেন মিমি!
যেমন গয়না পছন্দ করেন মিমি!

৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

৩-১ গোলে পিছিয়ে থেকেও বার্সেলোনার দুর্দান্ত জয়
৩-১ গোলে পিছিয়ে থেকেও বার্সেলোনার দুর্দান্ত জয়

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দ্বিতীয় দফার পরমাণু আলোচনা: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অগ্রগতির বার্তা ইরানের
দ্বিতীয় দফার পরমাণু আলোচনা: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অগ্রগতির বার্তা ইরানের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সৌদিতে ২০ হাজার অবৈধ প্রবাসী গ্রেফতার
সৌদিতে ২০ হাজার অবৈধ প্রবাসী গ্রেফতার

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইপিএল মাতালেন ১৪ বছরের সূর্যবংশী
আইপিএল মাতালেন ১৪ বছরের সূর্যবংশী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে মস্কো যাচ্ছেন ওমানের সুলতান
পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে মস্কো যাচ্ছেন ওমানের সুলতান

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যশোরে হত্যা মামলার আসামি আটক
যশোরে হত্যা মামলার আসামি আটক

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আনন্দ-উল্লাসে কম্বোডিয়ায় পহেলা বৈশাখ উদযাপিত
আনন্দ-উল্লাসে কম্বোডিয়ায় পহেলা বৈশাখ উদযাপিত

৯ ঘণ্টা আগে | পরবাস

শ্রীপুরে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা
শ্রীপুরে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে বিএনপি নেতা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
ভয়ঙ্কর যে বোমা নিয়ে ইসরায়েলে ঝাঁকে ঝাঁকে নামল মার্কিন বিমান
ভয়ঙ্কর যে বোমা নিয়ে ইসরায়েলে ঝাঁকে ঝাঁকে নামল মার্কিন বিমান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামোর কাজ চলছে’
‌‘প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামোর কাজ চলছে’

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আওয়ামী লীগের মিছিল বন্ধ করতে না পারলে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আওয়ামী লীগের মিছিল বন্ধ করতে না পারলে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলে পাল্টা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুতির
ইসরায়েলে পাল্টা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুতির

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গুগল ম্যাপে নিজের বাড়ির লোকেশন যুক্ত করতে যা করবেন
গুগল ম্যাপে নিজের বাড়ির লোকেশন যুক্ত করতে যা করবেন

২০ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিশ্বকাপের মূল পর্বে বাংলাদেশ
বিশ্বকাপের মূল পর্বে বাংলাদেশ

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একটি দলকে সরিয়ে আরেকটি দলকে ক্ষমতায় বসাতে গণঅভ্যুত্থান হয়নি : নাহিদ
একটি দলকে সরিয়ে আরেকটি দলকে ক্ষমতায় বসাতে গণঅভ্যুত্থান হয়নি : নাহিদ

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফেসবুকে ভাইরাল সেই ছবির বিষয়ে মুখ খুললেন হান্নান মাসউদ
ফেসবুকে ভাইরাল সেই ছবির বিষয়ে মুখ খুললেন হান্নান মাসউদ

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্প-শি-মোদি এসে কিছু করে দিয়ে যাবে না: মির্জা ফখরুল
ট্রাম্প-শি-মোদি এসে কিছু করে দিয়ে যাবে না: মির্জা ফখরুল

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

অফিস সময়ে সভার জন্য সম্মানী না নিতে নির্দেশনা
অফিস সময়ে সভার জন্য সম্মানী না নিতে নির্দেশনা

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যাকে আল্লাহ বাঁচায়, তাকে কেউ রুখতে পারে না : কায়কোবাদ
যাকে আল্লাহ বাঁচায়, তাকে কেউ রুখতে পারে না : কায়কোবাদ

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় সংসদে আসন ৬০০ করার সুপারিশ
জাতীয় সংসদে আসন ৬০০ করার সুপারিশ

১৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘ক্রিকেটাররা আমাকে নিজের অশ্লীল ছবি পাঠাত’, ভারতের সাবেক কোচের সন্তান
‘ক্রিকেটাররা আমাকে নিজের অশ্লীল ছবি পাঠাত’, ভারতের সাবেক কোচের সন্তান

২২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মাঝ আকাশে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা, প্রাণ বাঁচাতে গুলি চালালেন যাত্রী
মাঝ আকাশে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা, প্রাণ বাঁচাতে গুলি চালালেন যাত্রী

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সৃজিত মুখার্জি
অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সৃজিত মুখার্জি

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্কযুদ্ধ: ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর বার্তা চীনের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্কযুদ্ধ: ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর বার্তা চীনের

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনা-কাদেরসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে ‘রেড নোটিশ’ জারির আবেদন
হাসিনা-কাদেরসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে ‘রেড নোটিশ’ জারির আবেদন

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল, অর্ধেকই ভারতের
যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল, অর্ধেকই ভারতের

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রবিবার সারাদেশে মহাসমাবেশের ঘোষণা পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের
রবিবার সারাদেশে মহাসমাবেশের ঘোষণা পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগের বিষয়ে তিতাসের সতর্কবার্তা
আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগের বিষয়ে তিতাসের সতর্কবার্তা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সালমানের পাশে দাঁড়ালেন ইমরান
সালমানের পাশে দাঁড়ালেন ইমরান

২১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কারাবন্দীদের ‘অন্তরঙ্গ’ সময় কাটানোর ব্যবস্থা করল ইতালি
কারাবন্দীদের ‘অন্তরঙ্গ’ সময় কাটানোর ব্যবস্থা করল ইতালি

১৬ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

এলডিপিতে যোগ দিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী
এলডিপিতে যোগ দিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আইপিএল মাতালেন ১৪ বছরের সূর্যবংশী
আইপিএল মাতালেন ১৪ বছরের সূর্যবংশী

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পাকিস্তান
ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পাকিস্তান

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জোট সরকার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দিলেন বিলাওয়াল
জোট সরকার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকি দিলেন বিলাওয়াল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ সংগঠনের ঝটিকা মিছিল, ভিডিও দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছে ডিএমপি
নিষিদ্ধ সংগঠনের ঝটিকা মিছিল, ভিডিও দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছে ডিএমপি

২০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এনসিপির জেলা-উপজেলা কমিটির আহ্বায়কের ন্যূনতম বয়স হতে হবে ৪০
এনসিপির জেলা-উপজেলা কমিটির আহ্বায়কের ন্যূনতম বয়স হতে হবে ৪০

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বিশ্বকাপ নিয়ে পরিকল্পনা জানালেন মেসি
বিশ্বকাপ নিয়ে পরিকল্পনা জানালেন মেসি

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
ফরিদপুরের যুবক সিংকুকে বিয়ে করে আমেরিকায় নিয়ে গেছেন শ্যারন
ফরিদপুরের যুবক সিংকুকে বিয়ে করে আমেরিকায় নিয়ে গেছেন শ্যারন

রকমারি

সংস্কার নির্বাচনে বিভক্তি
সংস্কার নির্বাচনে বিভক্তি

প্রথম পৃষ্ঠা

বিদেশি বউ নিয়ে ভালোই আছেন তিন দম্পতি
বিদেশি বউ নিয়ে ভালোই আছেন তিন দম্পতি

রকমারি

সুফল মেলেনি ট্রানজিটে
সুফল মেলেনি ট্রানজিটে

পেছনের পৃষ্ঠা

জার্মান বউকে নিয়ে যেমন চলছে আব্রাহামের  সংসার
জার্মান বউকে নিয়ে যেমন চলছে আব্রাহামের সংসার

রকমারি

সক্রিয় ভয়ংকর মামলা চক্র
সক্রিয় ভয়ংকর মামলা চক্র

প্রথম পৃষ্ঠা

ড. ইউনূসের বিশ্বব্যাপী সুপার ডিপ্লোম্যাসি
ড. ইউনূসের বিশ্বব্যাপী সুপার ডিপ্লোম্যাসি

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

হতাশার কিছু নেই নির্বাচন হতেই হবে
হতাশার কিছু নেই নির্বাচন হতেই হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

মিসরের নুরহানকে নিয়ে সমশেরের সুখের সংসার
মিসরের নুরহানকে নিয়ে সমশেরের সুখের সংসার

রকমারি

মহাসড়কে ব্যাটারি রিকশার দাপট
মহাসড়কে ব্যাটারি রিকশার দাপট

নগর জীবন

নাজমুলদের চোখে নতুন স্বপ্ন
নাজমুলদের চোখে নতুন স্বপ্ন

মাঠে ময়দানে

আস্থা ফিরছে না শেয়ারবাজারে
আস্থা ফিরছে না শেয়ারবাজারে

পেছনের পৃষ্ঠা

শ্রীলঙ্কার যুবক ছুটে এলেন প্রেমিকার ডাকে
শ্রীলঙ্কার যুবক ছুটে এলেন প্রেমিকার ডাকে

রকমারি

১৯৬ দেশে যাচ্ছে রেড অ্যালার্ট
১৯৬ দেশে যাচ্ছে রেড অ্যালার্ট

প্রথম পৃষ্ঠা

শঙ্কায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরা
শঙ্কায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরা

পেছনের পৃষ্ঠা

স্বৈরাচারের দোসররা নতুন ষড়যন্ত্র করছে
স্বৈরাচারের দোসররা নতুন ষড়যন্ত্র করছে

নগর জীবন

অভিনেত্রী শাবানার উদ্বেগ
অভিনেত্রী শাবানার উদ্বেগ

শোবিজ

সিনেমা হলের এ কি হাল?
সিনেমা হলের এ কি হাল?

শোবিজ

আজ থেকে শুরু হচ্ছে ‘শিক্ষা-সংস্কৃতি অনির্বাণ’
আজ থেকে শুরু হচ্ছে ‘শিক্ষা-সংস্কৃতি অনির্বাণ’

শোবিজ

প্রশংসিত নায়িকা বুবলী...
প্রশংসিত নায়িকা বুবলী...

শোবিজ

রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে বার্সেলোনা
রোমাঞ্চকর জয় পেয়েছে বার্সেলোনা

মাঠে ময়দানে

মেহজাবীনের চাওয়া
মেহজাবীনের চাওয়া

শোবিজ

সিলেটে খেলা কিছুটা কঠিন হবে
সিলেটে খেলা কিছুটা কঠিন হবে

মাঠে ময়দানে

শিগগিরই নিষিদ্ধ হচ্ছে তিন প্লাস্টিক পণ্য
শিগগিরই নিষিদ্ধ হচ্ছে তিন প্লাস্টিক পণ্য

নগর জীবন

ঋতুপর্ণার চ্যালেঞ্জ
ঋতুপর্ণার চ্যালেঞ্জ

শোবিজ

স্বাধীনতা কাপ ভলিবল
স্বাধীনতা কাপ ভলিবল

মাঠে ময়দানে

ঢাকায় হুনানের গভর্নর
ঢাকায় হুনানের গভর্নর

প্রথম পৃষ্ঠা

সংসদে আসন ৬০০ করার সুপারিশ
সংসদে আসন ৬০০ করার সুপারিশ

প্রথম পৃষ্ঠা

জটিল সমীকরণে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ
জটিল সমীকরণে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

মাঠে ময়দানে