শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৩৭, রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৫

দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় নির্বাচন : ক্ষতিগ্রস্ত হবে ক্ষমতাসীনরাই

আমীর খসরু
অনলাইন ভার্সন
দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় নির্বাচন : ক্ষতিগ্রস্ত হবে ক্ষমতাসীনরাই

এক. উন্নয়নকে বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ওই উন্নয়ন কার্যক্রমে যেন জনঅংশীদারিত্বের ব্যবস্থাটি থাকে তার গ্যারান্টি দেওয়ার লক্ষ্যেই স্থানীয় সরকারকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় বলে গণ্য করা হয়।  এ কথাটি প্রমাণিত সত্য যে, উন্নয়ন কার্যক্রমে যদি জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ ও অংশীদারিত্বের ব্যবস্থা না থাকে এবং সামগ্রিক ব্যবস্থায় জনগণের ইচ্ছা-অনিচ্ছার প্রতিফলন না ঘটে, তাহলে ওই পুরো উন্নয়নটিই হবে নষ্ট-ভ্রষ্ট অথবা উন্নয়ন নামের কর্মকাণ্ডগুলো থেকে যাবে খাতা-কলমে। যতই দিন যাচ্ছে ততই গণতন্ত্রের সংজ্ঞায় পরিবর্তন এসেছে গণঅংশীদারিত্ব ও প্রতিনিধিত্বশীলতার প্রশ্নে। গণতন্ত্রের উৎকৃষ্ট সংজ্ঞা হচ্ছে, জনগণের অংশীদারিত্ব এবং ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে প্রাধান্য ও নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ক্ষমতার বিকেন্দ্রণ। কারণ কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা দুর্নীতি, জনবিচ্ছিন্নতা এবং কর্তৃত্বপরায়ণতার জন্ম দেয়।

এ ছাড়াও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাটির গুরুত্ব এ কারণেও যে, তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের চাওয়া-পাওয়া, ইচ্ছা-অনিচ্ছা এবং প্রয়োজন-অপ্রয়োজনের নিরিখে উন্নয়ন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা যেমন থাকে, তেমনি জনগণ কোনো না কোনোভাবে উন্নয়নসহ শাসন কার্যক্রমে সংযুক্ত ও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এ নিয়ে দুনিয়ার নানা দেশে গণতন্ত্র চর্চার মধ্যেই স্থানীয় পর্যায়ের শাসনকে শক্তিশালীকরণের বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

এ কথা সত্য যে, আমাদের দেশে রাজনৈতিক দলের যে দশা হয়েছে, তাতে মানুষ এখন রাজনৈতিক দলবিমুখ হওয়ার প্রক্রিয়ায় রাজনীতিবিমুখ হয়ে পড়েছে। সমাজে সৎ, ন্যায়-নিষ্ঠবান ও ন্যায্যতার স্বপক্ষে মানুষগুলো নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন, দুর্নীতিবাজ, অসৎ এবং নষ্ট-ভ্রষ্টের সীমাহীন উৎপাত ও দোর্দণ্ড প্রতাপের কারণে। যেখানে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাটির মধ্যদিয়ে সৎ, ত্যাগী, ন্যায় ও ন্যায্যতাপ্রিয় মানুষগুলোকে আবার ফিরিয়ে আনার যে প্রক্রিয়াটি রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে শুরু করা উচিত ছিল, তার ছিটেফোঁটা সম্ভাবনাও আর অবশিষ্ট নেই। ভবিষ্যতে থাকবে এমন কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। উল্টা বর্তমান সরকার সে পথ রুদ্ধ এবং বন্ধ করে দিয়েছে।

স্থানীয় সরকারের গোড়ার দিকের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায় ব্রিটিশ আমলে অর্থাৎ ১৮৭০ সালেও পঞ্চায়েত ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল। তবে তার সামাজিক কর্তৃত্ব যতটা ছিল, উন্নয়ন বা প্রশাসনিকভাবে তার কোনো ক্ষমতা ছিল না। আর এই পঞ্চায়েত ব্যবস্থাটি গঠিত হতো সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে। ১৮৮২ সালে পঞ্চায়েত ব্যবস্থার কিছুটা পরিবর্তন সাধন করা হয়। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, পঞ্চায়েতের নেতৃত্বে আসতে গেলে গণ্যমান্য হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্যাক্স বা খাজনা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। স্থানীয় পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ পুলিশের এক ধরনের সহযোগী হিসেবে চৌকিদার, দফাদার ব্যবস্থাটিও তখন চালু হয়। তবে পুরো বিষয়টি একদিকে ছিল ব্রিটিশ শাসনকে সুসংহত করা, অন্যদিকে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা। ১৯০০ সালের দিকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় আরও বেশ কিছু পরিবর্তন আসে এবং এর কাঠামোগত একটি রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। গঠিত হয় ইউনিয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সংস্থাগুলো, যা পঞ্চায়েত ব্যবস্থা থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী রূপ। এ সময় ইউনিয়ন বোর্ডের পাশাপাশি থানা বোর্ড, জেলা বোর্ড এবং কোথাও কোথাও পৌরসভার ব্যবস্থাগুলোর সৃষ্টি করা হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এসব সংস্থা গঠিত হলেও এর প্রধান ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা পদাধিকার বলে। তবে এরও কিছুকাল পরে নির্বাচন ব্যবস্থাটি প্রবর্তন করা হয়, তবে অনেকটা শিথিল ছিল। গণ্যমান্য ব্যক্তিরাই কোনো না কোনোভাবে এর নেতৃত্বে চলে আসতেন।

১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসন জারির পরে আসলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে সত্য, তবে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাটিকে প্রথমবারের মতো যুক্ত করা হয় রাজনীতির সঙ্গে, ক্ষমতার স্বার্থে। আর দুর্নীতিকেও প্রবিষ্ট করানো হয় তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত। এটা সামরিক শাসনের একটি ধারা। ১৯৫৯ সালের এক আদেশ বলে ১৯৬০ সালে ইউনিয়ন বোর্ডের নাম পরিবর্তন করে গঠন করা হয় ইউনিয়ন কাউন্সিল। এই কাউন্সিল গঠিত হতো মৌলিক গণতন্ত্র বা বেসিক ডেমোক্রেসি নামে এক অদ্ভুত ব্যবস্থার মধ্যদিয়ে। এই মৌলিক গণতন্ত্র সামরিক শাসনের গণতন্ত্রবিনাশী একটি কর্মকাণ্ড হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে আছে। আর এটি আইয়ুবের সামরিক শাসনের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে পরবর্তীতে আবির্ভূত হয়। দেশে মৌলিক গণতন্ত্রী অর্থাৎ ভোটারের সংখ্যা ছিল সারা দেশে ৬০ হাজার। এদের ভোটেই আইয়ুব প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন। এমপি-এমএনএসহ অন্যান্য পদ নির্বাচনেও এই মৌলিক গণতন্ত্রীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এর মাধ্যমে আইয়ুব সমাজে এমন একটি শ্রেণির সৃষ্টি করলেন যারা স্থানীয় পর্যায়ে আইয়ুবের প্রতিনিধি বলেই খ্যাত ছিল।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ক্রমান্বয়ে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাটি শক্তিশালী হতে থাকে এবং এ পুরো ব্যবস্থার সঙ্গে রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততাও বাড়তে থাকে। বাংলাদেশে সংবিধানে স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণের ওপর যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করা হয়। যদিও সংবিধান প্রণেতাদের মনোজগতে স্থানীয় সরকারকে জনসম্পৃক্ত একটি সংস্থা হিসেবেই চিন্তা করা হয়েছিল। তবে বরাবরই ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের চাপ এবং স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে সমূলে বিনাশ করার আমলাতান্ত্রিক উদ্যোগ সফলও হতে থাকে দিনে দিনে।

দুই.

এই প্রথমবারের মতো স্থানীয় সরকারব্যবস্থার সর্বস্তর অর্থাৎ ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে ও দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতদিন দলের সমর্থন প্রবল এবং প্রচণ্ড থাকলেও নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত হতো দলীয় পরিচয়ের বাইরে অর্থাৎ নির্দলীয় ভিত্তিতে। গত ১২ অক্টোবর খুবই তাড়াহুড়া করে মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরেই দলীয় ভিত্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইনের অনুমোদন দেওয়া হয়। তাড়াহুড়াটা এমন যে, প্রথমে সরকার অধ্যাদেশ জারি করে। এরপরে সংসদে স্থানীয় সরকার সংশোধনী আইন পাস করা হয়। এখানে একটি বিষয় বলা প্রয়োজন, তাড়াহুড়াটা সেই পর্যায়ে গেছে যাতে এই নভেম্বর মাসেই অধ্যাদেশ জারি করা হয়, সংসদে আইন পাস হয় এবং নির্বাচন কমিশনও আচরণবিধি ঘোষণা করে।

বর্তমান সরকারের অধীনে অতীতে অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকারব্যবস্থার সব নির্বাচনের নজির খুবই ন্যক্কারজনক এবং একই সঙ্গে ভীতিকরও। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, ভোটারবিহীন, একদলীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে আমাদের যেমন ধারণা ও অভিজ্ঞতা আছে, তেমনি উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন নির্বাচনসহ অন্যান্য যেসব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এই সরকারের অধীনে, সে সম্পর্কেও আমরা তিক্ত অভিজ্ঞতায় অভিজ্ঞ। ভোটারবিহীন নজির সৃষ্টিকারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল পাঁচ দফায়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নিলেও বিরোধী দল বিএনপিসহ অন্যান্য দল এতে অংশগ্রহণ করেছিল। এই নির্বাচনটিতেও দলীয় বাহিনীর সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবহারসহ নৈরাজ্যপূর্ণ, তাণ্ডবের এক পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছিল। স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ায় কিছুসংখ্যক মানুষ স্বাভাবিক কারণেই ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে কী ভীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন, তাও বোধকরি সবারই মনে আছে। জাতীয় নির্বাচনটি যে সত্যিকার অর্থেই একেবারেই সৃষ্টি ছাড়া খারাপ উদাহরণ সৃষ্টিকারী ঘটনা ছিল, তা আবারও বদ্ধমূলভাবে প্রতিষ্ঠিত করে দেয় উপজেলা নির্বাচন। পরবর্তীকালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনসমূহ আবারও প্রমাণ করে যে, এই সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন তো সম্ভবই নয়, এটা চিন্তা করাও সমীচীন হবে না। কারণ অবাধ, সুষ্ঠু, সব দলের অংশগ্রহণে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠান করা আইনি বিধানসম্মত ও গণতান্ত্রিক চর্চার অন্তর্ভুক্ত ক্ষমতাসীনদের চিন্তা, চেতনা, মনোজগৎসহ সামগ্রিক সংস্কৃতিতে এই বিষয়গুলো আদৌ প্রবহমান ও ক্রিয়াশীল নয়।

ক্ষমতাসীনরা ন্যায্য ও অবাধ নির্বাচনকে তাদের জন্য বিড়ম্বনার বিষয় বলেই মনে করে, এমনটা বিভিন্ন নির্বাচনের মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে। সরকার এ কারণেই দলীয় ভিত্তিতে ও প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথটি বেছে নিয়েছে। কারণ ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন ও প্রতীক ব্যবহার করলে, নির্বাচন অনুষ্ঠানের যেসব পূর্বশর্ত থাকে অর্থাৎ প্রার্থীর যোগ্যতা, দল এবং প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা, দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের গুণাবলী সর্বোপরি জনপ্রিয়তা- তার আর কোনো প্রয়োজন হবে না। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বারবার উদাহরণ দেওয়া হচ্ছে, যুক্তরাজ্য, ভারতসহ বহু দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হয়ে থাকে। তাহলে প্রশ্ন উত্থাপন জরুরি যে, ১. যুক্তরাজ্য, ভারতসহ ওই দেশগুলোতে ৫ জানুয়ারির মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাবিহীন, ভোটারবিহীন, একদলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কিনা বা এমন উদাহরণ তাদের যুগ-যুগান্তরের রাজনৈতিক ইতিহাসে রয়েছে কিনা? ২. ওই সব দেশে বিরোধী দল ধ্বংস ও বিনাশ করে একদলীয় শাসন ও এককের সীমাহীন ক্ষমতা সৃষ্টির মাধ্যমে রাজনৈতিক ভারসাম্যহীনতার নজির রয়েছে কিনা? ৩. স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার আদৌ হস্তক্ষেপ করে কিনা? ৪. এমন নির্বাচন কমিশন ওই সব দেশে আছে কিনা? ৫. যেসব দেশের কথা বলা হয়েছে সেসব দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ পুরো প্রশাসন এমন পক্ষপাতদোষে-দুষ্ট কিনা? ৬. ওই সব দেশে বিরোধী পক্ষের কেউ জাতীয় বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিজয়ী হলে তাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মামলা-মোকদ্দমা দিয়ে, গ্রেফতার করে বরখাস্ত করার নজির রয়েছে কিনা? জবাব যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে দেশবাসী সবাই এই সরকারের সঙ্গে সহমত পোষণ করতে রাজি আছে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগেও ক্ষমতাসীনরা বলেছিল, ক্ষমতাসীন দলের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের নজির পশ্চিমা দুনিয়াসহ বহু দেশে রয়েছে। তবে বাংলাদেশের নজির তারা ওই সময়ই দেখেছেন।

পৌরসভা নির্বাচনে বিরোধী দল বিএনপি অংশ নেবে এমন সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে বলা যায়। ইতিমধ্যে বিএনপি নিজে বৈঠক করেছে এবং ২০ দলের সঙ্গেও আলোচনা করেছে। এটি বিএনপির পক্ষ থেকে যথাযথ ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত তাতে কোনো সন্দেহ নেই। যদি ৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনের সময়ে রণেভঙ্গ দিয়ে চলে না গিয়ে তারা মাঠে থাকতেন এবং নির্বাচনে অংশ নিতেন তাহলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত।

বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পক্ষে ইতিবাচক হাওয়া থাকলেও, মামলা-মোকদ্দমা, হয়রানি, নির্যাতন, গ্রেফতারসহ নানা আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেক গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থীও নির্বাচনে অংশ নিতে ভয় পাচ্ছেন ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে। তাছাড়া বহু নেতা-কর্মী হয় জেলে রয়েছেন, না হয় মামলা মাথায় নিয়ে গ্রেফতার হওয়ার ভয়ে পালিয়ে এলাকা ছাড়া অথবা স্থানীয় ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে আপসরফা করে নিশ্চুপ। বিএনপির জন্য দাপটের সঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠান তো দূরের কথা, প্রার্থী খুঁজে পাওয়াই সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে।

স্থানীয় সরকারব্যবস্থার নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে অনুষ্ঠানে ক্ষমতাসীনরা সীমাহীন লাভবান হবে এমনটাই তারা ধারণা করছে। কিন্তু বাস্তবে বিএনপিসহ বিরোধী দল যতটা না ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তারচেয়ে ঢের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে। কারণ এমনিতেই ক্ষমতাসীন দল হিসেবে তাদের মধ্যকার বড় ধরনের অন্তর্দ্বন্দ্ব বিদ্যমান। দলীয় ভিত্তিতে নির্বাচনে এটি আরও প্রকট এবং ভয়াবহ রূপ নেবে। দলের বর্তমানে বিদ্যমান থাকা নানা উপদলীয় সংঘাত, সহিংসতা, কোন্দল ব্যাপকতর হবে। আর এতে দলের ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের সক্রিয়তা থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। সব মিলিয়ে দলের অভ্যন্তরীণ সংকট ও জটিলতা আরও ব্যাপকতর ও প্রকট হবে। কারণ ক্ষমতাসীনদের আগ্রহী প্রার্থীরা মনে করছেন, দলীয় মনোনয়ন পেলেই তিনি নিশ্চিতভাবে নির্বাচিত হবেন। কাজেই পদ-পদবি আর ক্ষমতার কাছাকাছি গিয়ে তা হাতছাড়া করার এমন মানসিকতা অধিকাংশেই দেখাবে, এটা ভাবা ঠিক হবে না। কোন উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে এটা কার্যকর হবে তা ভাবাও উচিত হবে না। কাজেই ক্ষমতার দ্বন্দ্ব-বিবাদ বিস্তৃত হবে ব্যাপকতর। তারা এক দলে থাকলেও আরও অনৈক্য, আরও দ্বন্দ্ব-বিবাদ, সংঘাত ভবিষ্যতে তাদের পিছু ধাওয়া করবে।

এ কথাটি মনে রাখতে হবে, রাজনৈতিক ভারসাম্যহীনতা এবং এ থেকে সৃষ্ট চরম শূন্যতার সময়ে এক দলই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ও সর্বেসর্বা থাকে। সবকিছু নির্ধারিত হয় এক, একক এবং একপক্ষের মাধ্যমেই।  সেখানে অন্য দলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা নেই, কারণ তাদের কোনো প্রতিপক্ষই নেই।  দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠান তাই দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে এসব কারণে চরম মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত করার সঙ্গে সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক নৈরাজ্য ও সংকটকে যেমন প্রকটতর করবে, তেমনি এটি প্রলম্বিতও হবে। রাজনৈতিক ভারসাম্যহীনতা ও চরম শূন্যতা ক্ষমতাসীনদের সংঘাত, বিবাদকে নিয়ে যাবে চরম থেকে চরমতম পর্যায়ে।

লেখক : সম্পাদক, আমাদের বুধবারডটকম

এই বিভাগের আরও খবর
ব্যক্তির সঙ্গে সমষ্টির অসম বিভাজন
ব্যক্তির সঙ্গে সমষ্টির অসম বিভাজন
হঠাৎ করেই কি একটি এয়ারলাইন্স বন্ধ হয়ে যায়?
হঠাৎ করেই কি একটি এয়ারলাইন্স বন্ধ হয়ে যায়?
এলডিসি উত্তরণ ও পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এখন আমাদের বড় লক্ষ্য
এলডিসি উত্তরণ ও পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এখন আমাদের বড় লক্ষ্য
বেসরকারি বিনিয়োগই ‘ফ্যাক্টর’
বেসরকারি বিনিয়োগই ‘ফ্যাক্টর’
পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে জাতীয় সংকটে: জনগণের পক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর অবস্থান ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা
পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে জাতীয় সংকটে: জনগণের পক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর অবস্থান ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা
বাংলা নববর্ষ: বাঙালি জাতির সংস্কৃতির ঐক্য
বাংলা নববর্ষ: বাঙালি জাতির সংস্কৃতির ঐক্য
ভবিষ্যতের সংঘাত ঠেকাতে এখনই ব্যবস্থা নিন
ভবিষ্যতের সংঘাত ঠেকাতে এখনই ব্যবস্থা নিন
চাপে চ্যাপ্টা অর্থনীতির রিয়াল হিরো ব্যবসায়ীরা
চাপে চ্যাপ্টা অর্থনীতির রিয়াল হিরো ব্যবসায়ীরা
উন্নতির নানা রূপ ও ভিতরের কারণ
উন্নতির নানা রূপ ও ভিতরের কারণ
স্থায়ীভাবে শুল্ক প্রত্যাহারে জোরদার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে
স্থায়ীভাবে শুল্ক প্রত্যাহারে জোরদার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাতে হবে
জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী: অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি
জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী: অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের প্রতিচ্ছবি
আমেরিকার পারস্পরিক শুল্ক এবং বাংলাদেশ
আমেরিকার পারস্পরিক শুল্ক এবং বাংলাদেশ
সর্বশেষ খবর
জয়পুরহাটে স্বর্ণের দোকানে তল্লাশির সময় ধরা খেল ভুয়া ডিবি
জয়পুরহাটে স্বর্ণের দোকানে তল্লাশির সময় ধরা খেল ভুয়া ডিবি

১ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

পাকিস্তানে কেএফসিতে হামলা-সংঘর্ষে নিহত ১, গ্রেপ্তার ১৭৮
পাকিস্তানে কেএফসিতে হামলা-সংঘর্ষে নিহত ১, গ্রেপ্তার ১৭৮

১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মহাসড়কে ডাকাতির চেষ্টা, অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৩
মহাসড়কে ডাকাতির চেষ্টা, অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৩

১০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আ. লীগ নেতার চাঁদা আদায় আড়াল করতে বিএনপির নেতার নামে মিথ্যাচারের অভিযোগ
আ. লীগ নেতার চাঁদা আদায় আড়াল করতে বিএনপির নেতার নামে মিথ্যাচারের অভিযোগ

১২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

যুবদল নেতার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
যুবদল নেতার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

২২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগের বিষয়ে তিতাসের সতর্কবার্তা
আবাসিকে নতুন গ্যাস সংযোগের বিষয়ে তিতাসের সতর্কবার্তা

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মুন্সিগঞ্জে বিজ্ঞান উৎসব
মুন্সিগঞ্জে বিজ্ঞান উৎসব

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ফরিদপুরে বাসচাপায় নিহত ২
ফরিদপুরে বাসচাপায় নিহত ২

৩৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু
ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

লক্ষ্মীপুরে স্বেচ্ছাসেবকদল কর্মীর খুনিদের বিচার চেয়ে মানববন্ধন
লক্ষ্মীপুরে স্বেচ্ছাসেবকদল কর্মীর খুনিদের বিচার চেয়ে মানববন্ধন

৪৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

রায়গঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলাকারীদের শাস্তি দাবি
রায়গঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলাকারীদের শাস্তি দাবি

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের মূল উদ্দেশ্য: গণশিক্ষা উপদেষ্টা
শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের মূল উদ্দেশ্য: গণশিক্ষা উপদেষ্টা

৪৭ মিনিট আগে | জাতীয়

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ভিসাপ্রত্যাশীদের ফের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস
ভিসাপ্রত্যাশীদের ফের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস

৫১ মিনিট আগে | জাতীয়

বরিশালে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
বরিশালে পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

চীনের হাসপাতাল গাইবান্ধায় নির্মাণের দাবি
চীনের হাসপাতাল গাইবান্ধায় নির্মাণের দাবি

৫৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ডেমরায় বিএনপির বিক্ষোভ
আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ডেমরায় বিএনপির বিক্ষোভ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

বিশ্বকাপের মূল পর্বে বাংলাদেশ
বিশ্বকাপের মূল পর্বে বাংলাদেশ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভোলায় মাসুদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার
ভোলায় মাসুদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেক্সাস থেকে ভেনিজুয়েলানদের বহিষ্কার স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত
টেক্সাস থেকে ভেনিজুয়েলানদের বহিষ্কার স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যাকে আল্লাহ বাঁচায়, তাকে কেউ রুখতে পারে না : কায়কোবাদ
যাকে আল্লাহ বাঁচায়, তাকে কেউ রুখতে পারে না : কায়কোবাদ

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাংলাবান্ধায় ১৪০ ফুট উঁচুতে উড়বে পতাকা
বাংলাবান্ধায় ১৪০ ফুট উঁচুতে উড়বে পতাকা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুর্ঘটনার পর ছাদহীন বাস চালানোর ঘটনায় চালক-মালিকের বিরুদ্ধে মামলা
দুর্ঘটনার পর ছাদহীন বাস চালানোর ঘটনায় চালক-মালিকের বিরুদ্ধে মামলা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দ্রুত সংস্কার করে নির্বাচন দিন: রফিকুল ইসলাম
দ্রুত সংস্কার করে নির্বাচন দিন: রফিকুল ইসলাম

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘হামজা’ খোঁজার পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানেও নজর উপদেষ্টা আসিফের
‘হামজা’ খোঁজার পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানেও নজর উপদেষ্টা আসিফের

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইতালির নাগরিকত্ব পাচ্ছেন জনপ্রিয় মার্কিন লেখক ফ্রান্সেস মায়েস
ইতালির নাগরিকত্ব পাচ্ছেন জনপ্রিয় মার্কিন লেখক ফ্রান্সেস মায়েস

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ফেনীতে চীন-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন
ফেনীতে চীন-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতার দায় কার? প্রশ্ন তুললেন ডা. শাহাদাত
চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতার দায় কার? প্রশ্ন তুললেন ডা. শাহাদাত

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

গাজীপুরে সাফারি পার্ক থেকে চুরি হওয়া একটি লেমুর উদ্ধার, গ্রেফতার ১
গাজীপুরে সাফারি পার্ক থেকে চুরি হওয়া একটি লেমুর উদ্ধার, গ্রেফতার ১

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সর্বাধিক পঠিত
ভয়ঙ্কর যে বোমা নিয়ে ইসরায়েলে ঝাঁকে ঝাঁকে নামল মার্কিন বিমান
ভয়ঙ্কর যে বোমা নিয়ে ইসরায়েলে ঝাঁকে ঝাঁকে নামল মার্কিন বিমান

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খামেনিকে সৌদি বাদশাহর ‘গোপন’ চিঠি
খামেনিকে সৌদি বাদশাহর ‘গোপন’ চিঠি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘প্রত্যেক ইসরায়েলি হয় নিজে সন্ত্রাসী, না হয় সন্ত্রাসীর সন্তান’
‘প্রত্যেক ইসরায়েলি হয় নিজে সন্ত্রাসী, না হয় সন্ত্রাসীর সন্তান’

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আওয়ামী লীগের মিছিল বন্ধ করতে না পারলে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আওয়ামী লীগের মিছিল বন্ধ করতে না পারলে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলে পাল্টা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুতির
ইসরায়েলে পাল্টা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হুতির

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামোর কাজ চলছে’
‌‘প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য আলাদা বেতন কাঠামোর কাজ চলছে’

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ঝটিকা মিছিল করে আবার ভয়াবহ ফ্যাসিবাদ কায়েমের চেষ্টা চলছে : এ্যানি
ঝটিকা মিছিল করে আবার ভয়াবহ ফ্যাসিবাদ কায়েমের চেষ্টা চলছে : এ্যানি

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ট্রাম্প-শি-মোদি এসে কিছু করে দিয়ে যাবে না: মির্জা ফখরুল
ট্রাম্প-শি-মোদি এসে কিছু করে দিয়ে যাবে না: মির্জা ফখরুল

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একটি দলকে সরিয়ে আরেকটি দলকে ক্ষমতায় বসাতে গণঅভ্যুত্থান হয়নি : নাহিদ
একটি দলকে সরিয়ে আরেকটি দলকে ক্ষমতায় বসাতে গণঅভ্যুত্থান হয়নি : নাহিদ

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পাসপোর্টে ‘এক্সসেপ্ট ইসরায়েল’ যোগ করা নিয়ে যা বললেন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত
পাসপোর্টে ‘এক্সসেপ্ট ইসরায়েল’ যোগ করা নিয়ে যা বললেন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেসবুকে ভাইরাল সেই ছবির বিষয়ে মুখ খুললেন হান্নান মাসউদ
ফেসবুকে ভাইরাল সেই ছবির বিষয়ে মুখ খুললেন হান্নান মাসউদ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

শাহবাগে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সুমিত সাহাকে পুলিশে দিল ছাত্র-জনতা
শাহবাগে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সুমিত সাহাকে পুলিশে দিল ছাত্র-জনতা

১২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গুগল ম্যাপে নিজের বাড়ির লোকেশন যুক্ত করতে যা করবেন
গুগল ম্যাপে নিজের বাড়ির লোকেশন যুক্ত করতে যা করবেন

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

মেঘনা গ্রুপের কাছে আটকে আছে তিতাসের ৮৬২ কোটি টাকা
মেঘনা গ্রুপের কাছে আটকে আছে তিতাসের ৮৬২ কোটি টাকা

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাকি জিম্মিদের মুক্তি দিতে ইসরায়েলকে তিন শর্ত দিলো হামাস
বাকি জিম্মিদের মুক্তি দিতে ইসরায়েলকে তিন শর্ত দিলো হামাস

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল, অর্ধেকই ভারতের
যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫ হাজার শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল, অর্ধেকই ভারতের

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাঝ আকাশে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা, প্রাণ বাঁচাতে গুলি চালালেন যাত্রী
মাঝ আকাশে বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা, প্রাণ বাঁচাতে গুলি চালালেন যাত্রী

৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘ক্রিকেটাররা আমাকে নিজের অশ্লীল ছবি পাঠাত’, ভারতের সাবেক কোচের সন্তান
‘ক্রিকেটাররা আমাকে নিজের অশ্লীল ছবি পাঠাত’, ভারতের সাবেক কোচের সন্তান

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৯ এপ্রিল)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (১৯ এপ্রিল)

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্কযুদ্ধ: ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর বার্তা চীনের
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্কযুদ্ধ: ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়ানোর বার্তা চীনের

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রবিবার সারাদেশে মহাসমাবেশের ঘোষণা পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের
রবিবার সারাদেশে মহাসমাবেশের ঘোষণা পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যে কারণে রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি আলোচনা থেকে সরে যেতে পারে আমেরিকা!
যে কারণে রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি আলোচনা থেকে সরে যেতে পারে আমেরিকা!

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাসিনা-কাদেরসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে ‘রেড নোটিশ’ জারির আবেদন
হাসিনা-কাদেরসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে ‘রেড নোটিশ’ জারির আবেদন

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রেললাইনে আটকে গেল বাস, আতঙ্কে জানালা দিয়ে লাফিয়ে নামলেন যাত্রীরা
রেললাইনে আটকে গেল বাস, আতঙ্কে জানালা দিয়ে লাফিয়ে নামলেন যাত্রীরা

১৮ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

এলডিপিতে যোগ দিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী
এলডিপিতে যোগ দিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

পুতিনের এক মাসের আদেশের মেয়াদ শেষ, ফের তীব্র আক্রমণের আশঙ্কা
পুতিনের এক মাসের আদেশের মেয়াদ শেষ, ফের তীব্র আক্রমণের আশঙ্কা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সৃজিত মুখার্জি
অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সৃজিত মুখার্জি

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

কক্সবাজার মেরিনড্রাইভে ২৮ মোটরসাইকেল জব্দ
কক্সবাজার মেরিনড্রাইভে ২৮ মোটরসাইকেল জব্দ

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সালমানের পাশে দাঁড়ালেন ইমরান
সালমানের পাশে দাঁড়ালেন ইমরান

৯ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

প্রিন্ট সর্বাধিক
আয়তন বাড়ছে বাংলাদেশের
আয়তন বাড়ছে বাংলাদেশের

প্রথম পৃষ্ঠা

জুলাইয়ে বগুড়া থেকে উড়বে বিমান
জুলাইয়ে বগুড়া থেকে উড়বে বিমান

নগর জীবন

রাশিয়ার যুদ্ধে গিয়ে আশুগঞ্জের যুবক নিহত
রাশিয়ার যুদ্ধে গিয়ে আশুগঞ্জের যুবক নিহত

পেছনের পৃষ্ঠা

সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায় বিএনপি
সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক চায় বিএনপি

প্রথম পৃষ্ঠা

খালেদা জিয়া দেশে ফিরবেন কবে
খালেদা জিয়া দেশে ফিরবেন কবে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

স্বস্তির বাজারে ফের অস্বস্তি
স্বস্তির বাজারে ফের অস্বস্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

সংকটেও পোশাক রপ্তানি বাড়ছে
সংকটেও পোশাক রপ্তানি বাড়ছে

পেছনের পৃষ্ঠা

ডেঙ্গু ঠেকাতে আধুনিক ফাঁদ
ডেঙ্গু ঠেকাতে আধুনিক ফাঁদ

পেছনের পৃষ্ঠা

সাকার ফিশ থেকে প্রাণীখাদ্য
সাকার ফিশ থেকে প্রাণীখাদ্য

শনিবারের সকাল

ইউনূস বাংলাদেশকে নিপীড়নের ছায়া থেকে বের করে আনছেন
ইউনূস বাংলাদেশকে নিপীড়নের ছায়া থেকে বের করে আনছেন

প্রথম পৃষ্ঠা

ঢাকাই সিনেমার প্রযোজকরা শুভংকরের ফাঁকিতে
ঢাকাই সিনেমার প্রযোজকরা শুভংকরের ফাঁকিতে

শোবিজ

৫০০ বছরের কালীমন্দির
৫০০ বছরের কালীমন্দির

পেছনের পৃষ্ঠা

এ সংবিধানের অধীন সরকার বৈধ নয়
এ সংবিধানের অধীন সরকার বৈধ নয়

প্রথম পৃষ্ঠা

সংকট-অবিশ্বাস বাড়ছে কমছে সমাধানের পথ
সংকট-অবিশ্বাস বাড়ছে কমছে সমাধানের পথ

প্রথম পৃষ্ঠা

সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেও হাটে বিক্রি করেন শুঁটকি
সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেও হাটে বিক্রি করেন শুঁটকি

শনিবারের সকাল

আজীবন সম্মাননায় শবনম-জাভেদ
আজীবন সম্মাননায় শবনম-জাভেদ

শোবিজ

হিন্দুত্ববাদী সরকার ১৬ বছর নিষ্পেষিত করছে
হিন্দুত্ববাদী সরকার ১৬ বছর নিষ্পেষিত করছে

পেছনের পৃষ্ঠা

ঋতাভরীর বাগদান
ঋতাভরীর বাগদান

শোবিজ

এলডিপিতে আজ যোগ দিচ্ছেন চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী
এলডিপিতে আজ যোগ দিচ্ছেন চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী

নগর জীবন

সোনালি দিনের চলচ্চিত্র নির্মাতা - ইবনে মিজান
সোনালি দিনের চলচ্চিত্র নির্মাতা - ইবনে মিজান

শোবিজ

বাংলাদেশের মন্তব্য ‘অযৌক্তিক’ দাবি করেছে ভারত
বাংলাদেশের মন্তব্য ‘অযৌক্তিক’ দাবি করেছে ভারত

প্রথম পৃষ্ঠা

নাবিলা এবার বনলতা সেন
নাবিলা এবার বনলতা সেন

শোবিজ

রোহিঙ্গাদের নিয়ে উভয়সংকটে বাংলাদেশ
রোহিঙ্গাদের নিয়ে উভয়সংকটে বাংলাদেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

বাঁশ হতে পারে দূষণ কমাতে সেরা সমাধান
বাঁশ হতে পারে দূষণ কমাতে সেরা সমাধান

পরিবেশ ও জীবন

যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা নিয়ে নতুন অস্বস্তি
যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা নিয়ে নতুন অস্বস্তি

পেছনের পৃষ্ঠা

সংস্কার ও বিচার ছাড়া নির্বাচন হতে পারে না
সংস্কার ও বিচার ছাড়া নির্বাচন হতে পারে না

প্রথম পৃষ্ঠা

কৃষিজমিতে জৈব উপাদান কমছেই
কৃষিজমিতে জৈব উপাদান কমছেই

নগর জীবন

বাপ্পার মাগুরার ফুল
বাপ্পার মাগুরার ফুল

শোবিজ

আওয়ামী লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের চার নেতা গ্রেপ্তার
আওয়ামী লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের চার নেতা গ্রেপ্তার

পেছনের পৃষ্ঠা