তিনি বলিউডের প্রথম সারির তারকা। অভিনয়ের পাশাপাশি তার নাচে মজে অনুরাগীরা। সেই হৃত্বিক রোশন কি না অভিনয় ছেড়ে দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন! অবাক হচ্ছেন? হওয়ারই কথা। হৃত্বিকের শৈশব খুব একটা সুখকর ছিল না। ডাক্তার বলেছিলেন, তিনি নাকি কোনও দিন নাচতে পারবেন না!
সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের সামনে এমনই বেশ কিছু চমকপ্রদ তথ্য ফাঁস করেছেন পর্দার কৃষ।
কী রকম ছিল হৃত্বিকের ছেলেবেলা? উত্তরে অভিনেতা বলেছেন, “ছোটবেলায় স্কুলে তোতলা ছিলাম। কথা বলতে পারতাম না। আমার কোনও বন্ধু ছিল না, ছিল না কোনও প্রেমিকা। প্রচণ্ড লাজুক ছিলাম এবং বাড়ি ফিরে শুধু কাঁদতাম।”
স্কুলের দিনগুলো অভিনেতাকে যে এক প্রকার লড়াই করেই কাটাতে হয়েছে, তা বেশ স্পষ্ট। এর সঙ্গেই অভিনেতা বলেছেন, “ডাক্তার বলেছিলেন, আমি কোনও দিন অভিনেতা হতে পারব না। কারণ, মেরুদণ্ডে সমস্যা হওয়ার জন্য আমাকে বলা হয়েছিল যে, আমি নাকি কোনও দিন নাচতে পারব না।”
স্বাভাবিকভাবেই এ রকম মন্তব্য শুনে মনের দিক থেকে ভেঙে পড়েছিলেন হৃতিক। ভেবেছিলেন, অধরাই থেক যাবে তার স্বপ্ন। অভিনেতার কথায়, “মনের দিক থেকে এতটাই ভেঙে পড়েছিলাম যে, সকালে ঘুম থেকে উঠতাম আর ভাবতাম যে অভিনেতা হওয়ার স্বপ্নটা দূরেই থেকে যাবে। ভেতরে ভেতরে নিজেকে প্রতিবন্ধী ভাবলে খুবই কষ্ট হতো।”
হৃতিক এখন অবশ্য বিষয়টিকে হালকাভাবেই গ্রহণ করেন। কারণ তিনি বলেছেন, “ফিরে তাকালে, এখন আমার জীবনে সমস্যা তৈরির জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাই। বলি, ওই দিনগুলো দেখেছি বলেই নিজেকে আরও শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তোলার সাহস পেয়েছি।”
হৃত্বিকে দর্শক সম্প্রতি ‘বিক্রম বেদা’ ছবিতে দেখেছেন। ছবিটি বক্স অফিসে সফল না হলেও, ছবিতে হৃতিকের অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। এই মুহূর্তে অভিনেতা ‘ফাইটার’ ছবির প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
বিডি প্রতিদিন/কালাম