এও এক 'তান্ত্রিক বাবা'! দিনের পর দিন চলছিল তার কুকীর্তি। নানা ধর্মীয় ভয় দেখিয়ে নারীদের ধর্ষণ করাই ছিল তার উদ্দেশ্য। সেই ধর্ষণ মোবাইলে MMS করত লুকিয়ে, যাতে পরে ব্ল্যাকমেইল করতে পারে। অবশেষে গ্রেফতার করা হয় সেই তান্ত্রিক সাধুকে। ভারতের এলাহাবাদের ওই তান্ত্রিক আপাতত কারাগারে রয়েছে।
তান্ত্রিককে জেরা করে জানা গেছে, ২০০৮ সালে এলাহাবাদে একটি ঘর ভাড়া করে সে নোংরামি শুরু করে। জগদীশবাবা নামে ওই তান্ত্রিক দাবি করত, তন্ত্র সাধনার সাহায্যে যে কোন সমস্যার সমাধান তার কাছে আছে। বহু সমস্যায় জর্জরিত মানুষ তার কাছে যেতেন। কিন্তু তার পর যা ঘটত, তা নির্মম। কোন নারী তার কাছে এলে, ওই নারীর সঙ্গে থাকা বাড়ির লোককে বাইরে বসতে বলতেন ওই তান্ত্রিক। আর বলতেন, 'আমি ভিতরে শারীরিক পরীক্ষা করব। শক্তিশালী মন্ত্রে দীক্ষা দেব।'
সরল বিশ্বাসে বহু মানুষ তা করত। তান্ত্রিকের মোবাইলে পাওয়া কিছু MMS-এ দেখা গেছে, এরপর ঘরে ঢুকিয়ে ওই নারীর কাপড় সরিয়ে সে বলত, শারীরিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। এই ভাবে নানা ধর্মীয় ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করা হত। পুলিশের কাছে যাওয়ার কথা বললেই ওই MMS ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখাতো তান্ত্রিক। শুরু করত ব্ল্যাকমেলও।
বিডি প্রতিদিন/০৩ ডিসেম্বর ২০১৭/হিমেল